‘এটা আমার অর্জন নয়,অর্জনের দুয়ারে প্রবেশের চাবি’

0
85

ডেস্ক রিপোর্ট ।। 

বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক সায়েম খান বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ২১তম কাউন্সিলের পর নিজের অবস্থানের বর্ণনা ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভানেত্রী, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা যে গুরু দায়িত্ব তার উপর দিয়েছেন এবিষয়ে তার নিজের ফেসবুক পেইজে একটি স্ট্যাটাস শেয়ার করেছেন। 

দৈনিক যুগের বার্তার পাঠকদের সুবিধার জন্য সায়েম খানের স্ট্যাটাসটি নিচে হুবহু তুলে ধরা হলো-

“বাঙালি বিচারের ক্ষেত্রে যৌক্তিকের চেয়ে অনেক বেশি জাজমেন্টাল। একটা ঘটনা দিয়ে আরেকটাকে বা একজনের উত্থান বা পতন দিয়ে আরেকজনের উত্থান বা পতনকে বিচার করে। অমুক ঐটা করেছিল বলে এইটা হয়েছে বা অমুক ঐটা করেছিল বলে তার আজ এই পরিণতি। কিন্তু যৌক্তিকতার বিচারে মানুষের অবস্থান সামগ্রিকতার ফল।

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ২১তম কাউন্সিলে আমাদের আশার বাতিঘর, আমাদের ভিশন ও মিশনের অবিকল্প ঠিকানা, যার চোখে আমরা সকলেই স্বপ্ন দেখি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভানেত্রী, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা আমাকে একটা জায়গায় স্থান দিয়েছেন। অনেকে এটাকে আমার অর্জন হিসাবে দেখছেন। আমি দৃঢ়ভাবে বলছি এটা আমার কোন অর্জন নয়। এটা আমার উপর বর্তানো একটি দায়িত্ব। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ একটি গতিশীল সংগঠন। এই সংগঠনের পরিসর হল এর তৃণমূলের নেতাকর্মীরা। আর এই পরিসরের একমাত্র কেন্দ্র জননেত্রী শেখ হাসিনা। এই সংগঠনে পদ পাওয়ার জন্য নয়, পদ পাওয়া ব্যতীত কাজ করতে চাওয়া নেতাকর্মীর সংখ্যা লাখ লাখ। আমি তাদের মধ্যে সৌভাগ্যবান একজন। তবে সুপিরিয়র কেউ নই। আমি বঙ্গবন্ধুর আদর্শ আর জননেত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করার জন্য নিজেকে নিবেদন করতে চাই। এই দলের ক্ষুদ্র কর্মী থেকে শুরু করে বড় নেতা পর্যন্ত অনেকের সাথেই বিভিন্ন ইস্যুতে মতের পার্থক্য থাকতে পারে কিন্তু আমাদের মৌলিক আদর্শ এক। আমাদের উদ্দেশ অভিন্ন। তাই আমি কাজ করার ক্ষেত্রে সকলের সহযোগিতা প্রত্যাশা করছি। আমি গতকাল আমাদের নেত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার সাথে দেখা করে আনুষ্ঠানিক কাজ করার অনুমতি চাইতে গিয়ে বলেছিলাম, আপা, আমি ছোট মানুষ। কাজ করতে গেলে ভুল-ভ্রান্তি হতে পারে। তবে আমি দ্রুত শিখে নিতে পারব বলে আশা রাখি। তিনি আমাকে মন দিয়ে কাজ করার কথা বলেছেন। আমি কাজের ব্যস্ততায় হয়তো অনেকের সাথে যোগাযোগটা আগের মত রাখতে পারবো না। কিন্তু এতে সম্পর্কের কোন ওঠানামা হবে না। সকলের সাথে সম্পর্কের গভীরতা আগের মতোই থাকবে। তবে সকলের প্রতি আমার অনুরোধ আমার এই পদবিকে সম্পর্কের দোহাই দিয়ে ব্যবহার করতে চেষ্টা করবেন না। এমন উদ্দেশ নিয়ে কেউ আমার কাছে আসারও চেষ্টা করবেন না বলে বিনীতভাবে অনুরোধ জানাচ্ছি। এমনকি আমি নিজেও মনে করি, সাংগঠনিক কোন প্রয়োজন ব্যতীত আমার ব্যক্তিগত প্রয়োজনেও এই পদ ব্যবহারের এখতিয়ার আমার নেই।

আমি পুনশ্চ বলছি, এটা আমার কোন অর্জন নয়। অর্জনের দুয়ারে প্রবেশের চাবি। এখন আমার কর্মের উপরে নির্ভর করবে আমি কি এই ঘরে থাকতে পারবো নাকি অন্য দরজা দিয়ে বের হয়ে যেতে হবে? উত্তর ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করবে। আমি মনে মানুষের ভবিষ্যতকে ভয় পাওয়া উচিত।

সবাইকে ধন্যবাদ। আমার জন্য দোয়া করবেন।
জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু।”

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here